• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

শাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের পেটালো ছাত্রলীগ

60061_1সিসি নিউজ: সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে ছাত্রলীগ কর্মীরা। এসময় ছাত্রলীগ কর্মীরা শিক্ষকদের উপর চড়াও হয়ে তাদের মারধর করেছে বলে জানা গেছে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক সৈয়দ সামসুল ইসলাম ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের মারধরের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন।

রোববার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ছিল শিক্ষকদের। গত কয়েক মাস ধরেই শিক্ষকরা আন্দোলন করে আসছিল।

রোববার বিকেল ৩টায় উপাচার্য আমিনুল হক ভূইয়া অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠক ডাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়।

শিক্ষকদের কর্মসূচির পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্যকে সমর্থন দিয়ে আসা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ভোর সাড়ে ৫টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। আর আন্দোলনরত শিক্ষকরা ব্যানার নিয়ে সেখানে যান সকাল সাড়ে ৭টার দিকে। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপাচার্য প্রশাসনিক ভবনের সামনে এলে ছাত্রলীগ কর্মীরা আন্দোলনরত শিক্ষকদের কাছ থেকে ব্যানার কেড়ে নেয়। এসময় শিক্ষকদের গলা ধাক্কা দিয়ে এবং মারধর করে সরিয়ে দেয়। এরই ফাঁকে উপাচার্য  প্রশাসনিক ভবনে ঢুকে নিজের কার্যালয়ে চলে যান।

জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন দুই পক্ষের মাঝখানে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে ছাত্রলীগ কর্মীদের কাছে পাত্তা পাননি বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে পুলিশ কথা বলতে অপরাগতা প্রকাশ করেছে।

এদিকে শিক্ষকদের অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থ বলেন, ‘বাধা দেওয়ার বিষয়টি সাংগঠনিক কোনো সিদ্ধান্ত না। যারা যার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে এতে অংশ নিয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ